আবৃত্তি এবং রবীন্দ্রনাথ—বাংলা সংস্কৃতিতে এই দুটি যেন একে অপরের পরিপূরক। আবৃত্তিকারের ব্যক্তিগত রুচি এবং কণ্ঠস্বরের ভিন্নতার কারণে একেকজনের কাছে তাঁর প্রিয় কবিতার তালিকা একেক রকম হয়।
তবুও সাধারণ পাঠক এবং আবৃত্তিশিল্পীদের কথা মাথায় রেখে ‘আবৃত্তি গুরুকুল’-এর পক্ষ থেকে আমরা একটি তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আমাদের এই সংকলনটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে, যাতে আপনারা সবসময় নতুন নতুন কবিতার সন্ধান পান।
আপনার পছন্দের কোনো রবীন্দ্রকবিতা যদি এই তালিকায় বাদ পড়ে থাকে, তবে অবশ্যই কমেন্টে আমাদের জানান। আমরা পরম আগ্রহে সেটি তালিকায় যুক্ত করে দেব। আপনাদের পরামর্শই আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করে তুলবে।
কাব্যগ্রন্থের নাম ও সাল:
কবিকাহিনী (১৮৭৮) – এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
বনফুল (১৮৮০)
ভগ্নহৃদয় (১৮৮১)
রুদ্রচণ্ড (১৮৮১)
সন্ধ্যাসঙ্গীত (১৮৮২)
প্রভাতসঙ্গীত (১৮৮৩)
ছবি ও গান (১৮৮৪)
কড়ি ও কোমল (১৮৮৬)
- প্রাণ
মানসী (১৮৯০) – রবীন্দ্রনাথের প্রথম পরিণত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সোনার তরী (১৮৯৪) – তাঁর রোমান্টিক চেতনার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
চিত্রা (১৮৯৬)
চৈতালি (১৮৯৬)
কণিকা (১৮৯৯) – ছোট ছোট নীতিকবিতার সংকলন।
কথা ও কাহিনী (১৯০০)
কল্পনা (১৯০০)
ক্ষণিকা (১৯০০)
নৈবেদ্য (১৯০১) – আধ্যাত্মিক ধারার সূচনা।
খেয়া (১৯০৬)
গীতাঞ্জলি (১৯১০) – যার জন্য তিনি বিশ্ববিখ্যাত হন।
গীতিমাল্য (১৯১৪)
গীতালি (১৯১৪)
বলাকা (১৯১৬) – গতিবাদের এক অসাধারণ দর্শন।
পলাতকা (১৯১৮)
পূরবী (১৯২৫)
মহুয়া (১৯২৯)
বনবাণী (১৯৩১)
পরিশেষ (১৯৩২)
পুনশ্চ (১৯৩২)
শেষ সপ্তক (১৯৩৫)
পত্রপুট (১৯৩৬)
শ্যামলী (১৯৩৬)
প্রান্তিক (১৯৩৮)
সেঁজুতি (১৯৩৮)
আকাশপ্রদীপ (১৯৩৯)
নবজাতক (১৯৪০)
সানাই (১৯৪০)
রোগশয্যায় (১৯৪১)
আরোগ্য (১৯৪১)
জন্মদিনে (১৯৪১)
শেষ লেখা (১৯৪১)